গ্রামের প্রাকৃতিক চাকের মধুর ৭ টি বৈশিষ্ট্য জেনেই অর্ডার করুন!
ঘনত্ব: সাধারণত প্রাকৃতিক মধুতে জলীয় বাংশ কিছুটা বেশি থাকে (প্রায় ১৮-২০%), যার ফলে এটি খামারের মধুর তুলনায় কিছুটা পাতলা হয়। এটি কোনো ভেজাল নয়, বরং প্রাকৃতিক আর্দ্রতার বহিঃপ্রকাশ।
অনিয়মিত রঙ ও স্বাদ: প্রাকৃতিক চাকের মধুর রঙ বা স্বাদ সবসময় একরকম হয় না। এটি নির্ভর করে মৌমাছি কোন ঋতুতে কোন ফুল থেকে নেকটার সংগ্রহ করেছে তার ওপর। কখনো এটি গাঢ় লালচে, আবার কখনো হালকা সোনালী হতে পারে।
তীব্র ও সতেজ ঘ্রাণ: চাকের মধু নাড়া দিলে বা মুখ খুললে ফুলের এক ধরণের কড়া ও সতেজ ঘ্রাণ পাওয়া যায়। কৃত্রিমভাবে প্রক্রিয়াজাত মধুতে এই প্রাকৃতিক সুবাস অনেক সময় হারিয়ে যায়।
ফেনা হওয়ার প্রবণতা: প্রাকৃতিক মধুতে প্রচুর পরিমাণে সক্রিয় এনজাইম থাকে। পরিবহনের সময় বা নাড়াচাড়া লাগলে মধুর উপরে সাদা ফেনা জমতে পারে এবং গ্যাস হতে পারে। এটি মধুর বিশুদ্ধতার অন্যতম লক্ষণ।
পরাগরেণু বা পোলেন (Pollen): প্রাকৃতিক মধুতে প্রচুর পরিমাণে ফুলের পরাগরেণু মিশে থাকে। খালি চোখে দেখলে অনেক সময় মধুকে কিছুটা ঘোলাটে মনে হতে পারে, যা মূলত পুষ্টিগুণে ভরপুর পোলেনের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
ভিন্ন ভিন্ন ফুলের মিশ্রণ: প্রাকৃতিক চাকের মৌমাছিরা কোনো নির্দিষ্ট একটি বাগান নয়, বরং গ্রামের চারপাশের নানা ধরনের ফুল (যেমন- সজিনা, সরিষা, লিচু বা বনজ ফুল) থেকে মধু সংগ্রহ করে। ফলে এতে মাল্টি-ফ্লাওয়ার বা বহু ফুলের পুষ্টিগুণ থাকে।
দ্রুত জমে না যাওয়া: সাধারণত প্রাকৃতিক মধু (সরিষা বা সুন্দরবনের কিছু বিশেষ ফুল বাদে) দীর্ঘ সময় লিকুইড থাকে। তবে শীতকালে বা খুব ঠাণ্ডায় সামান্য দানাদার ভাব হতে পারে, যা রোদে দিলে আবার ঠিক হয়ে যায়।
অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করে প্লেস অর্ডার বাটনে ক্লিক করুন!